1. Reporter- Al emran been habib 242-24-017
2. News Editor- yeamin hossain 242-24-013
3. News Uploader- Raihan Chowdhury 242-24-046
সর্বশেষ
কটু বিরতির পর আবারও উত্তপ্ত রাজপথ; শুরু হয়েছে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নেওয়া পুলিশ এবং অগ্রসরমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফের সংঘর্ষ বেধেছে। দুপক্ষের এই মুখোমুখি অবস্থানে এলাকাটি আবারও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে চরম আতঙ্ক।
০৫:৪৬ , ২৫ নভেম্বর
তুমুল সংঘর্ষের পর সাময়িক বিরতি, তবে কাটেনি শঙ্কা। শাহবাগ চত্বর জুড়ে এখন পিনপতন নীরবতা ও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাস্তার একপ্রান্তে পুলিশ এবং অন্যপ্রান্তে শিক্ষার্থীরা মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে, যেন পরবর্তী পরিস্থিতির অপেক্ষায়।
০৫:৪০ , ২৫ নভেম্বর
দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষে এবার আক্রোশ পড়ল পুলিশের কভার ভ্যানের ওপর। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা পুলিশের একটি ভ্যানে হামলা চালিয়ে সেটির গ্লাস ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। যা ঘটনাস্থলের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

০৫:৩৬ , ২৫ নভেম্বর
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামলেন শীর্ষ কর্মকর্তা। চলমান ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যেই ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছেন রমনা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ। তিনি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

০৫:২৫ , ২৫ নভেম্বর
ব্যারিকেড দিয়ে ‘দুর্গ’ গড়েছে পুলিশ, ধীর পায়ে সেদিকেই এগোচ্ছে ছাত্র-জনতা।” ফের শাহবাগ থানা দিকে অগ্রসর হচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। থানার ঠিক সামনেই পুরো রাস্তা আটকে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। দুপক্ষের এই মুখোমুখি অবস্থানে শাহবাগ চত্বরে আবারও বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
০৫:১৭ , ২৫ নভেম্বর
সংঘর্ষের উত্তাপ এবার সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে; শাহবাগ থানার সামনের দুপাশের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।” নিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া এই পদক্ষেপে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এই পয়েন্ট। ব্যারিকেডের কারণে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। বাসে ও রাস্তায় আটকে থেকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন অফিসফেরত মানুষ, রোগী ও সাধারণ যাত্রীরা শাহবাগ যেন এখন এক অচল জনপদ।

০৫:১১ , ২৫ নভেম্বর
আত্মরক্ষা ছেড়ে এবার পাল্টা আক্রমণে আন্দোলনকারীরা; ককটেল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল ঢাবি এলাকা।” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা হঠাৎ করেই পুলিশের ওপর চড়াও হয়েছেন। পুলিশের দিকে বৃষ্টির মতো ইট-পাটকেল ছোড়ার পাশাপাশি একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনকারীদের এই অতর্কিত ও সহিংস হামলায় পরিস্থিতি মুহূর্তের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
০৫:০৫ , ২৫ নভেম্বর
যমুনার পথ ছেড়ে এবার তারা অবস্থান নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে। লাঠিচার্জ আর জলকামানের ধকল সামলে ক্যাম্পাসের এই চত্বরেই পুনরায় সংগঠিত হচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা একে একে মসজিদের সামনে জড়ো হচ্ছেন এবং সেখানেই বসে পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পুলিশি বাধার মুখেও মাঠ না ছাড়ার দৃঢ় প্রত্যয় তাদের চোখে-মুখে।

০৪:৫১ , ২৫ নভেম্বর
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে অগ্রসর হতে চাইলে পুলিশের কঠোর বাধার মুখে পড়েন ৪৭তম বিসিএস পরীক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে পুলিশ হাই-প্রেসার জলকামান ব্যবহার করে এবং লাঠিচার্জ চালিয়ে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় রাজপথ, বন্ধ হয়ে যায় শিক্ষার্থীদের যমুনা ঘেরাও কর্মসূচি।

০৪:৪০ , ২৫ নভেম্বর


কলমের বদলে জুটল পুলিশের লাঠির আঘাত। দাবি আদায়ের মিছিলে পুলিশের অ্যাকশনে আহত হলেন এক বিসিএস পরীক্ষার্থী। যমুনা অভিমুখে রওনা হওয়া শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রক্তাক্ত সহপাঠীকে দেখে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন হাজারো শিক্ষার্থী। তাদের প্রশ্ন—ন্যায্য দাবির জবাব কি তবে রক্ত দিয়ে দিতে হবে?
০৪:২৩ , ২৫ নভেম্বর
হাসিনা গেছেন যে পথে, মোমেন যাবেন সেই পথে”—এই এক স্লোগানেই কেঁপে উঠল রাজপথ; এবার যমুনামুখী বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীরা এখন ছুটছেন প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে। তাদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি—শিক্ষার্থীদের দাবি উপেক্ষা করলে স্বৈরাচারের পতনের মতোই পরিণতি বরণ করতে হবে দায়িত্বশীলদের।
০৪:১৮ , ২৫ নভেম্বর
দাউ দাউ করে জ্বলছে পিএসসি চেয়ারম্যানের ছবি” দৃশ্যটি শাহবাগ চত্তরের রাজপথের। ৪৭তম বিসিএস পরীক্ষার তারিখ পেছানোর যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা করায় চূড়ান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করলেন পরীক্ষার্থীরা। আলোচনার পথ সংকুচিত হয়ে আসায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোবাসার মনেমের ছবিতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে নিজেদের কঠোর অবস্থানের জানান দিলেন। তাদের স্পষ্ট বার্তা—শিক্ষার্থীদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, এখন আর কোনো আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান সিদ্ধান্ত চায় তারা।
০৪:১০, ২৫ নভেম্বর
“বেইমানের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে”—আকাশ-বাতাস কাঁপানো এই স্লোগানে আজ ফের উত্তাল শাহবাগ মোড়। ৪৭তম বিসিএস পরীক্ষার্থীরা এবার সরাসরি আঙুল তুলেছেন ছাত্র উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের দিকে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ছাত্রদের অধিকার আদায়ের ‘ঢাল’ হিসেবে যাকে উপদেষ্টার আসনে বসানো হয়েছিল, আজ তার আচরণই দাঁড়িয়েছে ছাত্রদের স্বার্থের বিপক্ষে। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন, “যার কাঁধে আমাদের দাবি পূরণের দায়িত্ব, তিনি কেন আমাদের স্বাধীনতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালেন?”

০৪:০৫, ২৫ নভেম্বর
জুলাই কন্যা সুচি জানানো যে জুলাইয়ের জন্য মুগ্ধ পানি হাতে জীবন দিল, যে জুলাইয়ের জন্য আবু সাঈদ বুক পেতে দিল—সেই জুলাইয়ের অর্জিত স্বাধীনতায় কেন আমাদের আবার রাজপথে নামতে হবে?” । শাহবাগ চত্বরের সামনে দাঁড়িয়ে ৪৭ বিসিএস শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন, মাত্র ৪৫ দিন সময় দিয়ে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা কি জুলাইয়ের সেই ত্যাগের সঙ্গেই উপহাস নয়? আন্দোলনকারীরা বলছেন, এই হঠকারী সিদ্ধান্ত কার্যত তাদের অর্জিত ‘জুলাই পদক’ বা মেধার স্বীকৃতি কেড়ে নেওয়ার শামিল। রক্তের বিনিময়ে পাওয়া নতুন বাংলাদেশে প্রস্তুতির যৌক্তিক সময়টুকু না পাওয়াকে তারা ‘জুলাই চেতনার পরিপন্থী’ বলে আখ্যায়িত করছেন।
০৩:৫৮, ২৫ নভেম্বর
৪৭তম বিসিএস: হঠাৎ পরীক্ষার তারিখ ও পরিকল্পনায় পরিবর্তন বা ‘রোডম্যাপ’ বদলের মাশুল দিতে নারাজ চাকরিপ্রত্যাশীরা। আজ শাহবাগ চত্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই তাদের প্রস্তুতির সময় সংকুচিত করা হয়েছে। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ড ও স্লোগানে উঠে এসেছে গভীর হতাশার চিত্র। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, প্রাতিষ্ঠানিক অব্যবস্থাপনা বা পরিকল্পনাহীনতার দায় কেন শিক্ষার্থীদের নিতে হবে? তাদের একটাই জিজ্ঞাসা—”বাৎসরিক রোডম্যাপ পরিবর্তনের শিকার কেন আমরাই?