সাভারের খাগান এলাকায় সংঘটিত সহিংস ঘটনায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) শিক্ষার্থীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা, জিম্মি করে নির্যাতন ও জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল (২৬ অক্টোবর) রাতে সংঘর্ষের পর বেশ কয়েকজন ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায় ভীত-সন্ত্রস্ত শিক্ষার্থীরা জোরপূর্বক বক্তব্য দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
ডিআইইউ শিক্ষার্থীরা জানান, ঘটনার সূত্রপাত হয় একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে, কিন্তু পরবর্তীতে একটি সংগঠিত ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতিকে সহিংস করে তোলে।
তাদের অভিযোগ, সিটি ইউনিভার্সিটির কিছু শিক্ষার্থী রাতের অন্ধকারে ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীদের ভাড়া মেসে হামলা চালায় এবং নিরীহ শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ করে।
এ ঘটনায় ড্যাফোডিলের বহু শিক্ষার্থী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ড্যাফোডিলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সোমবার এক বিবৃতিতে বলা হয়—
“আমাদের সহপাঠীদের ওপর যেভাবে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে, তা কোনোভাবেই সহনীয় নয়। এরপর আহতদের জিম্মি করে নির্যাতন এবং জোরপূর্বক বক্তব্য আদায় — এটি সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়,
“একটি অজ্ঞাত স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী এই ঘটনার নেপথ্যে থেকে পুরো ঘটনাকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।”
১️⃣ হামলায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক।
২️⃣ আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
৩️⃣ জিম্মি করে নির্যাতন ও জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায়ের ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত করা হোক।
৪️⃣ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করা হচ্ছে যেন ভবিষ্যতে এমন অমানবিক ঘটনা আর না ঘটে।
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, তারা এখনো আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন এবং অনেকেই নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছেন।
[জার্নাল লেন্স ডেস্ক]
📅 প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৫
📍 সাভার, ঢাকা